আজ থেকে দেশ জুড়ে কার্যকর হচ্ছে নতুন হারে জিএসটি। হ্যাঁ, ২২ সেপ্টেম্বর থেকেই লাগু হল এই জিএসটি। জিএসটি কাউন্সিলের ৫৬ তম বৈঠকের পর বেশ কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য এবং পরিষেবার উপর শুল্ক কমানো হয়েছে। আবার কিছু বিপজ্জজনক বা বিলাসবহুল পণ্যের উপর জিএসটি অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে।
সবথেকে উল্লেখযোগ্য, এর মধ্যে অনেক খাবার বা স্বাস্থ্য সামগ্রী, শিক্ষা সরঞ্জাম এবং গার্হস্থ্য প্রয়োজনীয় জিনিস শূন্য বা ৫% জিএসটির আওতায় আনা হয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে যে, ঘরোয়া রান্নার জন্য ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম (LPG Price) কি এবার তাহলে কমবে?
এলপিজি সিলিন্ডারের দামে কী পরিবর্তন?
সরকারি সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, ৩ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের উপর কোনওরকম নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ফলে ২২ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আজ থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত থাকবে। অর্থাৎ সাধারণ পরিবারের রান্নার জন্য যে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করা হয়, সেটির জন্য আর অতিরিক্ত খরচ করতে হবে না বা দামও কমছে না।
এলপিজির উপর ভিন্ন ভিন্ন জিএসটি হার
প্রসঙ্গত, ঘরোয়া এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের উপর করের হার আলাদা। ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ৫% সিএসটি দিতে হয় আর বাণিজ্যিক বা হোটেলে ব্যবহার করা এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য ১৮% জিএসটি দিতে হয়। আর এই ব্যবধানের ফলে সাধারণ মানুষকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির তুলনামূলক ভাবে বেশি পরিমাণে জিএসটি গুনতে হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ মেলে মোটা অঙ্কের অর্থ সাহায্য, কৃষকদের জন্য কেন্দ্রের সেরা ৫ স্কিম
নতুন জিএসটির প্রভাব
যদিও এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত থাকছে। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের জিএসটি শূন্য হয়েছে বা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে, যা পরিবারগুলি দৈনন্দিন খরচ মেটাতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে খাদ্যপনণ্য এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের হাইজিন পণ্যের দাম অনেকটাই তলানিতে ঠেকেছে। তাই আবারও বলে রাখি, এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কমছেও না বা বাড়ছেও না। আগের মতোই অপরিবর্তিত থাকবে। জিএসটির কোনও প্রভাব এর উপর পড়ছে না।
