Lakshmir Bhandar: পুজোর আগেই ঢুকবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা? বিজ্ঞপ্তি জারি করল নবান্ন

দুর্গাপূজোর আগে বহু পরিবারের মনে এখন একটাই প্রশ্ন, কবে লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmir Bhandar) প্রকল্পের টাকা মিলবে? আর সেই উত্তরে এবার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। সোমবার অর্থদপ্তরের তরফ থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই টাকা দিয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর রাজ্য সরকার জানিয়েছিল যে, সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাঠানো হবে। তবে প্রশাসনিক কিছু কারণে সেই তারিখ কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কেন পিছনো হল তারিখ?

প্রশাসন সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ উৎসবের মরসুম থাকার কারণে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন ভাতা, বেতন এবং আর্থিক অনুদান একসঙ্গে দেওয়া চাপ হয়ে যাচ্ছে। আর এত বিপুল পরিমাণে লেনদেন একসঙ্গে সামলানোও কঠিন। তাই কিছুটা দেরি করা হয়েছে। তবে নবান্ন স্পষ্ট জানিয়েছে যে, টাকা আটকে থাকবে না, বরং অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই টাকা উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।

লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে কত টাকা পাওয়া যাবে?

প্রসঙ্গত, লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে বর্তমানে প্রায় দেড় কোটি পরিবার যুক্ত রয়েছে। আর এই প্রকল্পের আওতায় সাধারণ শ্রেণীর মহিলারা প্রতি মাসে ১০০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি ও উপজাতি শ্রেণীর মহিলারা প্রতিমাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পান। আর এই অর্থ সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমেই দেওয়া হয়। সাধারণত মাসের ১ তারিখে এই প্রকল্পের টাকা দিয়ে দেওয়া হয়। তবে যদি দিনটি সরকারের ছুটি হয়, সেক্ষেত্রে কিছুটা লেট হতে পারে।

প্রসঙ্গত, অক্টোবর মাসের ১ তারিখে রয়েছে নবমী। আর পরের দিন দশমী এবং তারপর দিন গান্ধীজয়ন্তী উপলক্ষে ছুটি থাকবে। তাই টানা রাজ্য সরকারের দপ্তরগুলি বন্ধ থাকার কারণে পুজোর দিনগুলি কেটে যাওয়ার পরেই হয়তো অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে, তারিখ কিছুটা পিছলেও সমস্ত যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা দিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ অ্যাকাউন্ট থাকলেই পাবেন, ৬ লক্ষ টাকার সুবিধা দিচ্ছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক

শুধু লক্ষীর ভান্ডার নয়, ঢুকবে জয় বাংলার টাকাও 

এদিকে একইসঙ্গে নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জয় বাংলা প্রকল্পের ভাতাও অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ২০২০ সালের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্প চালু করেছিল সমাজের পিছিয়ে পড়া এবং আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষদেরকে সহায়তা করার জন্যই।

Leave a Comment