মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তবে অনেকেই অল্প ব্যবহার হওয়া সিমটিকে মাসের পর মাস রিচার্জ না করে রেখে দেন। এর ফলে হঠাৎ করে একদিন দেখেন যে, সিমটি ডিঅ্যাক্টিভেট হয়ে গিয়েছে। তখন পোহাতে হয় ঝামেলা। জিও, এয়ারটেল কিংবা ভিআই, সমস্ত বড় বড় টেলিকম কোম্পানিগুলির ক্ষেত্রে রয়েছে আলাদা আলাদা নিয়ম। তাই গ্রাহকদের আগে থেকেই বিষয়টি জেনে নেওয়া উচিত যে, কতদিন রিচার্জ না করলে সিম চালু থাকবে।
কেন রিচার্জ না করলে সিম কিছুদিন চালু থাকে?
আসলে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া তাদের গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে নির্দেশ দিয়েছিল যে, শুধুমাত্র ভয়েস অনলি রিচার্জের সুবিধা চালু করতে হবে। তাছাড়া গ্রাহকদের যাতে নম্বর হারাতে না হয়, তাই কোম্পানিগুলো রিচার্জ না করলেও কিছুদিনের জন্য ইনকামিং কল, মেসেজ চালু রেখে দেয়। এ কারণে অনেকে সেকেন্ডারি সিম চালু রাখেন রিচার্জ ছাড়াই।
কতদিন পর্যন্ত সিম চালু থাকবে?
যদি আপনি টানা ৯০ দিন সিম ব্যবহার না করেন, তাহলে সেই নম্বরটি অটোমেটিক ডিঅ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে। আর এই নিয়ম জিও, এয়ারটেল কিংবা ভিআই, সমস্ত বড় বড় টেলিকম কোম্পানির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
ব্যালেন্স থাকলে কতদিন চলবে?
যদি আপনার সিমে ২০ টাকা বা তার বেশি ব্যালেন্স থাকে, তাহলে কোম্পানি অটোমেটিক্যালি ২০ টাকা কেটে আরও ৩০ দিন ভ্যালিডিটি বাড়িয়ে দেয়। আর এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে, যতদিন না ব্যালেন্স ২০ টাকার নীচে নামছে। একবার ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে আপনার সিম সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে।
আরও পড়ুনঃ ১ মিনিটে ডাউনলোড করুন QR কোড লাগানো ডিজিটাল ভোটার কার্ড, দেখে নিন স্টেপ বাই স্টেপ
ডিঅ্যাকটিভেট হওয়ার পর অ্যাক্টিভেট কীভাবে করবেন?
যদি আপনার সিমটি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ ১৫ দিনের মধ্যে ২০ টাকা ফি দিয়ে আপনি নম্বরটিকে আবারও অ্যাক্টিভেট করে নিতে পারবেন। তবে হ্যাঁ, সময়সীমা পেড়িয়ে গেলে নম্বর আর ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
মোদ্দা কথা, জিও, এয়ারটেল কিংবা ভিআই গ্রাহকরা রিচার্জ না করলেও ৯০ দিন পর্যন্ত ইনকামিং কল ও মেসেজের সুবিধা পাবে। কিন্তু হ্যাঁ, আউটগোয়িং কল, এসএমএস কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না। তাই যদি সেকেন্ডারি সিম দীর্ঘদিন ধরে চালু রাখতে চান, তাহলে মাঝে মাঝে ব্যবহার করুন অথবা ন্যূনতম ব্যালেন্স বজায় রাখুন।
